পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
ছবি
ফেসবুক কুরআন প্রতিযোগীতা..!!  সবার কাছেই এক নতুন নাম ! অনেকেই প্রশ্ন করেন জীবনে অনেক প্রতিযোগীতার নাম শুনেছি.. কিন্তু এমন প্রতিযোগীতার নাম তো কখোন শুনিনি..? কেউ বা বলে এটা দিয়ে কি হয়..? এর কাজ কি.. ? কেউবা বলে এ এক নতুন ধান্দা.. নানান জনের নানান প্রশ্ন, তখন শুধু এতটুকুই বলি, আমি চাই কুরআনের শিক্ষা এবং তার আদর্শ প্রতিযোগীতার মাধ্যমে পৌছাতে চাই সবার কাছে, বিশেষ করে তরুন প্রজন্মের কাছে... আর কিছু না.. 😷 ঠিক একবছর আগে শুরু করেছিলাম অখ্যাত এক প্রতিযোগীতা... কিন্তু যাকে নিয়ে শুরু  করেছিলাম সে কিন্তু অখ্যাত নয়..? সে হলো বিশ্ব জগতের একমাত্র স্রষ্টা মহান রাব্বুল আলামীনের সর্বশ্রেষ্ট্র আসমানী কিতাব, মহাজগতের সর্ববিখ্যাত কিতাব মহাগ্রন্থ আল-কুরআনকে নিয়ে। তাইতো এটা ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে দুবাই, মালোয়েশিয়া, লন্ডন, কুয়েতসত বিশ্বের নানা প্রান্তে। একে একে ৩ টি পর্ব শেষ হতে চলেছে (১ম পর্ব ১৩ জন প্রতিযোগী, ২য় পর্ব ২২ জন প্রতিযোগী এবং ৩য় পর্ব ৪২ জন প্রতিযোগী) শুধু তাই নয় প্রতিযোগীতার মাধ্যমে শেষ করতে পেরেছি কুরআনের সর্ববৃহৎ সূরা “সূরা আল-বাকারা”। আলহামদুলিল্লাহ, হাট...
ছবি
কখন গীবত করা জায়েজ..?  গীবত করা ইসলামে প্রকাশ্য হারাম। গীবত মুসলিম সমাজের ভ্রাতুত্ব নষ্ট করতে বড় ধরনে ভূমিকা রাখে। তারপরেও কখনো তা ইসলাম জায়েজ করেছে....  কিন্তু কখন..?   জানতে হলে পড়ুন.. একঃ যে ব্যক্তি জুলুমের প্রতিকারের জন্য কিছু করতে পারে বলে আশা করা যায় এমন ব্যক্তির কাছে জালেমের কুকীর্তি তুলে ধরে মজলুমের ফরিয়াদ করা ৷ দুইঃ সংশোধনের উদ্দেশ্যে এমন ব্যক্তিদের কাছে কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অপকর্মের কথা বলা যারা তার প্রতিকার করতে পারবেন বলে আশা করা যায় ৷ তিনঃ ফতোয়া চাওয়ার উদ্দেশ্যে কোন মুফতির কাছে প্রকৃত ঘটনা বর্ণনার সময় যদি কোন ব্যক্তির ভ্রান্ত কা জ-কর্মের উল্লেখ করা প্রয়োজন হয় ৷ চারঃ মানুষকে কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের অপকর্মের ক্ষতি থেকে রক্ষা করার জন্য সাবধান করে দেয়া ৷ যেমনঃ হাদীস বর্ণনাকারী, সাক্ষী এবং গ্রন্থ প্রণেতাদের দূর্বলতা ও ক্রুটি-বিচ্যুতি বর্ণনা করা সর্বসম্মত মতে প্রচারণা শুধু জায়েযই নয়, বরং ওয়াজিব ৷ কেননা , এ ছাড়া শরীয়াতকে ভুল রেওয়ায়াতের প্রচারণা ও বিস্তার থেকে , আদালতসমূহকে বেইনসাফী থেকে এবং জনসাধারণ ও শিক্ষার্থীদের শিক্ষার্থীদে...
ছবি
জ্ঞানের যুদ্ধ.............. >> আজ ৩য় পর্বের 22 ত ম তাফসীর <> কমেন্ট করার শেষ সময় 08-02-18 রাত 09.00 টা ঋণগ্রহীতা অভাবী হলে তাকে অবকাশ দিতে বল্লেন স্বয়ং আল্লাহ - (সূরা বাকারা 280-281 নং আয়াত) অংশগ্রহনের নিয়মঃ প্রথমে তাফসীরটি ভালভাবে পড়তে হবে, এরপর তাফসীরের মূল বিষয়টি কমেন্ট বক্সে অল্প কথায় লিখতে হবে। بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ وَإِن كَانَ ذُو عُسْرَةٍ فَنَظِرَةٌ إِلَىٰ مَيْسَرَةٍ ۚ وَأَن تَصَدَّقُوا خَيْرٌ لَّكُمْ ۖ إِن كُنتُمْ تَعْلَمُونَ﴾ ২৮০) তোমাদের ঋণগ্রহীতা অভাবী হলে সচ্ছলতা লাভ করা পর্যন্ত তাকে অবকাশ দাও ৷ আর যদি সাদ্‌কা করে দাও , তাহলে এটা তোমাদের জন্য বেশী ভালো হবে , যদি তোমরা জানতে ৷ ৩২৪ এ আয়াতে সুদখুরীর মানবতা বিরোধী কাণ্ডকীর্তির বিপরীতে পবিত্র চরিত্র এবং দরিদ্র ও নিঃস্বদের প্রতি কৃপামূলক ব্যবহার শিক্ষা দিয়ে বলা হয়েছে যে, তোমার ঋণগ্রহীতা যদি রিক্ত হস্ত হয় - ঋণ পরিশোধে সক্ষম না হয়, তবে শরীআতের নির্দেশ এই যে, তাকে স্বাচ্ছন্দ্যশীল হওয়া পর্যন্ত সময় দেয়া বিধেয়। যদি তাকে ঋণ থেকেই রেহাই দিয়ে দাও, তবে তা তোমার জন্য আরও উত্তম। স...
ছবি
জ্ঞানের যুদ্ধ................. ফেসবুক কুরআন প্রতিযোগীতার ৩য় পর্বের আজ ২০ নং প্রশ্ন  20. সুদ এবং দানের সম্পদকে আল্লাহ কি করেন..? সুদের ক্ষতিকর দিক গুলি কি কি..? >>উত্তর দিতে হবে 04-02-18 তাং রাত ৯.০০টার মধ্যে<<
ছবি
আজ ৩য় পর্বের ২১ তম তাফসীর  (সূরা  বাকারা ২৭৮-৭৯ নং আয়াত) আল্লাহ সুদখোরদের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন- জ্ঞানের যুদ্ধ.............. অংশগ্রহনের নিয়মঃ প্রথমে তাফসীরটি ভালভাবে পড়তে হবে, এরপর তাফসীরের মূল বিষয়টি কমেন্ট বক্সে অল্প কথায় লিখতে হবে। কমেন্ট করার শেষ সময় ২৭-০১-১৮ রাত ৯.০০টা بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَذَرُوا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ﴾ ২৭৮) হে ঈমানদারগণ ! আল্লাহকে ভয় করো এবং লোকদের কাছে তোমাদের যে সুদ বাকি রয়ে গেছে তা ছেড়ে দাও , যদি যথার্থই তোমরা ঈমান এনে থাকো ৷ এ প্রসঙ্গে প্রথমে বোঝা দরকার যে, জগতের কোন সৃষ্টবস্তু ও তার কাজ-কারবারই এমন নেই যাতে কোন না কোন বৈশিষ্ট্য বা উপকারিতা নেই। সাপ-বিচ্ছু, বাঘ-সিং এমনকি সংখিয়ার মত মারাত্মক বিষের মধ্যেও মানুষের হাজারো উপকারিতা নিহিত রয়েছে। চুরি, ডাকাতি, ব্যভিচার, ঘুষ ইত্যাদির মধ্যেও কোন না কোন উপকার খুঁজে বের করা কঠিন নয়। কিন্তু প্রত্যেক ধর্ম ও জাতির চিন্তাশীল শ্রেণীর মধ্যেই দেখা যায়, যে জিনিষের মধ্যে উপকার বেশী এবং ক্ষতি কম, তাকে উপকা...
ছবি
>ফেব্রুয়ারী মাসের দারসু ল কুরআন< আলে ইমরান আয়াত নং-১৩৮-১৪৮ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ| নামকরণঃ এই সূরার এক জায়গায় ‘‘আলে ইমরানের’’ কথা বলা হয়েছে । একেই আলামত হিসেবে এর নাম গণ্য করা হয়েছে। নাযিলের সময়-কাল ও বিষয়বস্তুর অংশসমূহঃ প্রথম ভাষণটি সূরার প্রথম থেকে শুরু হয়ে চতুর্থ রুকূ’র প্রথম দু’ আয়াত পর্যন্ত চলেছে এবং এটি সম্ভবত বদর যুদ্ধের নিকটবর্তী সময়ে নাযিল হয়। সূরাটির ঐতিহাসিক পটভূমি: দুইঃ হিজরতের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনার আশপাশের ইহুদী গোত্রগুলোর সাথে যে চুক্তি সম্পাদিন করেছিলেন তারা সেই চুক্তির প্রতি সামান্যতমও সম্মান প্রদর্শন করেনি। বদর যুদ্ধকালে এই আহ্লি কিতাবদের যাবতীয় সহানুভূতি তাওহীদ ও নবুয়াত এবং কিতাব ও আখেরাত বিশ্বাসী মুসলমানদের পরিবর্তে মূর্তিপূজারী মুশরিকদের সাথে ছিল। বদর যুদ্ধের পর তারা কুরাইশ ও আরবদের অন্যান্য গোত্রগুলোকে প্রকাশ্যে মুসলমানদের বিরুদ্ধে উত্তেজিত করে প্রতিশোধ গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে থাকে। বিশেষ করে বনী নাযির সরদার কা’ব ইবনে আশরাফ তো এ ব্যাপারে নিজের বিরোধমূলক প্রচেষ্টাকে অন্ধ শক্রতা বরং নীচতার পর্যায়ে নামিয়ে আনে। ম...